৭, ডিসেম্বর, ২০১৯, শনিবার | | ৯ রবিউস সানি ১৪৪১

কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নবান্ন উৎসব

আপডেট: December 4, 2019

কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নবান্ন উৎসব

সাইফুল ইসলাম ফয়সাল: অগ্রহায়ণের শুরুতেই গ্রাম বাংলায় শুরু হয় উৎসবের নানা আয়োজন। নতুন ধান কাটা আর সেই ধানের প্রথম অন্ন খাওয়াকে কেন্দ্র করে পালিত হয় নবান্ন উৎসব। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। এ যেন সত্যি হৃদয়ের বন্ধনকে আরও গাঢ় করার উৎসব। হেমন্ত এলেই দিগন্তজোড়া প্রকৃতি ছেয়ে যায় হলুদ-সবুজ রঙে। এই শোভা দেখে কৃষকের মন আনন্দে ভাসতে থাকে। কারণ, কৃষকের ঘর ভরে উঠবে গোলা ভরা ধানে। নতুন ধানের চাল থেকে নানা রকম পিঠা-পুলির গন্ধে ভরে ওঠে প্রতিটি ঘর।

বাঙালির প্রধান কৃষিজ ফল কাটার ক্ষণ। স্মরণাতীত কাল থেকে বাঙালির জীবনে পয়লা অগ্রহায়ণকে বলা হয়ে থাকে বাৎসরিক সুদিন। এদিনকে বলা হয় নবান্ন। নবান্ন হচ্ছে হেমন্তের প্রান। নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি করা হয় পিঠা, পায়েস, ক্ষীরসহ হরেক রকমের খাবার; বাড়ির আঙিনা নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে ভরে ওঠে। বাঙালীর হাজার বছরের সংস্কৃতিকে তুলে ধরতেই কুমিল্লা জেলা প্রশাসন বর্ণাঢ্য আয়োজনে নবান্ন উৎসব উদযাপন করে। মাঠে গিয়ে পাঁকা ধান কাঁটা, নানান রকম পিঠা-পুলির আয়োজন, নবান্নের নাচ-গান দিয়ে উৎসব উদযাপন করা হয়। শনিবার ( ৩০ নভেম্বর) বিকেলে নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার পিরযাত্রাপুর ইউনিয়ন প্রাঙ্গন হয়ে ওঠে উৎসবের গ্রাম।

নবান্ন উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন, বুড়িচং-ব্রাহ্মনপাড়া উপজেলার সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু। পিরযাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেন এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাখাওয়াত হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক কাইজার মোঃ ফরাবী, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুল হাসান। নবান্ন উৎসবে কুমিল্লা জেলা প্রশাসরেনর কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা জেলা পুলিশের উদ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানিয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।