৫, ডিসেম্বর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ৭ রবিউস সানি ১৪৪১

‘‘বিদ্যুৎ খাতের পাচার হওয়া টাকায় ২২টি পদ্মা সেতু হতো‘‘

আপডেট: December 2, 2019

‘‘বিদ্যুৎ খাতের পাচার হওয়া টাকায় ২২টি পদ্মা সেতু হতো‘‘

বিদ্যুৎ খাতে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর হিসেবে এ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ খাতের প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, যা দিয়ে ২২টি পদ্মা সেতু তৈরি করা যেত।

রোববার সকালে পিডিবির খুচরা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গণশুনানিতে মোয়াজ্জেম হোসেন এ অভিযোগ করেন।

এই সরকারের সময়ে আটবার বিদ্যুতের দাম বেড়েছে, এমন অভিযোগ করে মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সরকারি কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম কম। কিন্তু পিডিবি সাশ্রয়ী উৎপাদনকারী বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রেখে সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনছে। এতে বিদ্যুতের ব্যয় বাড়ছে। বাড়তি ব্যয় মেটাতে গিয়ে এই সরকারের আমলে ৮ বার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হয়েছে।

পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ডুবে যাওয়া ফারমার্স ব্যাংক এখন পদ্মা ব্যাংক। ওই ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিস শরাফতকে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আনলিমা টেক্সটাইলও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র পেয়েছে।

দুর্নীতির কারণেই বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি। এই শুনানি আজ শেষ হবে। বিইআরসির চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম কমিশনের অপর তিন সদস্য রহমান মুর্শেদ মিজানুর রহমান, মাহমুদউল হক ভূঁইয়া শুনানি গ্রহণ করছেন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা এম শামসুল আলম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।