২১, নভেম্বর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সংসদ ভবনে বাদলের জানাজা: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আপডেট: November 9, 2019

সংসদ ভবনে বাদলের জানাজা: রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু। মুক্তিযোদ্ধা, চট্টগ্রাম-৮ আসনের এমপি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) একাংশের নেতা মঈনউদ্দীন খান বাদলের জানাজা শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার টানেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সামরিক সচিব বাদলের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মইনউদ্দীন খান বাদলের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের সিনিয়র নেতা এবং সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে দলের পক্ষ থেকে বাদলের কফিনে অপর একটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এর আগে মুক্তিযোদ্ধা মঈনউদ্দিন খান বাদলকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হয়। মরহুমের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এবং পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছেলে তাইমুর নূর।

জানাজায় ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক, মো. নাসিম, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, পরিবেশ বন ও জলবায়ুমন্ত্রী মো. শাহাবুদ্দিন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাহবুব উল আলম হানিফ, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, এ বি তাজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, নজরুল ইসলাম বাবু, শফিকুল ইসলাম শিমুল এবং শিরীন আখতার, দলীয় নেতা, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।

পরে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ ভবনের পেশ ইমাম।

বৃহস্পতিবার ভোরে ৬৭ বছর বয়সে ভারতের বেঙ্গালুরুর নারায়ণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাদল।

তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একাংশের কার্যকরী সভাপতি ছিলেন। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে তিনি তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদে অনলবর্ষী বক্তা হিসেবে তিনি খ্যাতি পান।

ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা বাদল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। পাকিস্তান থেকে আনা অস্ত্র চট্টগ্রাম বন্দরে সোয়াত জাহাজ থেকে খালাসের সময় প্রতিরোধের অন্যতম নেতৃত্বদাতা ছিলেন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাদল সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল গঠনেও বাদলের ভূমিকা ছিল।