১৫, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীট ফাঁকা থাকলেও রোগীর যায়গা হয় ফ্লোরে

আপডেট: June 19, 2019

সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীট ফাঁকা থাকলেও রোগীর যায়গা হয় ফ্লোরে

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (নারী পুরুষ) দুটি ওয়ার্ডে  ৫০ শয্যা ও কেবিন  থাকা সত্বেও রোগীর যায়গা হয় ফ্লোরে। দৈনিক ভোরের পাতা সিরাজদিখান প্রতিনিধি মোঃ মোস্তফা এমন অভিযোগ তোলেন।

তিনি বলেন, গতকাল বুধবার আমার স্ত্রী অসুস্থ্য হলে দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেই। মহিলা ওয়ার্ডে গিয়ে দেখি বেশ কয়েটি সীট খালী রয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকের কাছে আমার স্ত্রীকে ভর্তি করাবো বললে তিনি বলেন, সীট খালী নেই। ফ্লোরে থাকলে থাকতে পারেন? উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বদিউজ্জামানকে হাসপাতালে খুঁজে না পেয়ে তার মোবাইল ফোনে ফোন করে বিষয়টি জানালে তিনি মুঠোফোনে বলেন, ফ্লোরে থাকলে থাকনে না থাকলে চলে যান! পরে  সীট না পেয়ে আমার স্ত্রীকে ভর্তি করাতে না পেরে হোসনেআরা ক্লিনিকে এনে ভর্তি করি।

এছাড়া বেশ কয়েকজন রোগীর অভিভাবক অভিযোগ করেন বলেন, হাসপাতালে অনেক সময় সীট খালী থাকার পরও নার্স বা ডাক্তাররা ফ্লোরে রোগীদের থাকার ব্যবস্থা করে দেন। সীট খালী থাকার পরও কেন রোগীর সীটে যায়গা হয়না আদৌ আমাদের জানা নেই। নাকি তারা অর্থের বিনিময়ে সীট দিয়ে থাকেন কোনটা?

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বদিউজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, আমি হাসপাতালে আসতেছি ব্যপারটা নিয়ে পরে কথা বলবো। তোমার যদি খুব জানার ইচ্ছে হয় আমার ওখানে যে ই.এম.ও আছে তার সাথে কথা বলো। তিনি যে সীট পায়নি সেটা একটা মিস ইনফরমেশন। সীট ছিল নিচে থেকে ওরা জানেনা যে সীট আছে কি নাই। আমি তাকে বলছি যে আপনি ভর্তি হন। পরে  আমি ডিউটিরত কর্মকর্তাদের বললাম ভুল ইনফরমেশনটা রোগীকে কেন দিলা। ই.এম.ওর সাথে আমি কথা বলেছি রোগীটা প্রকৃতপক্ষে ভর্তি যোগ্য ছিল না। আমরা ট্রিটমেন্ট দিয়ে বলছি আপনারা চলে যান। পরে সমস্যা হলে জানাইয়েন।