১৫, ডিসেম্বর, ২০১৯, রোববার | | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

আ.লীগ নেতার ছেলেকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় ১০ বাড়ি ভাংচুর

আপডেট: June 18, 2019

আ.লীগ নেতার ছেলেকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় ১০ বাড়ি ভাংচুর

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে অপহরণের দুদিন পর আওয়ামী লীগ নেতার ছেলেকে হত্যার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে চিতলমারী উপজেলা। ছয় বছর বয়সী খালিদ শিকদারের মরদেহ সোমবার সন্ধ্যায় চিতলমারী উপজেলার চৌদ্দহাজারী গ্রামের একটি মাছের খামার থেকে থেকে উদ্ধারের পর থেকে উত্তেজিত জনতার গনপিটুনীতে উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়ক ও সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান  দাউদুল ইসলাম লিন্টু খান (৫৬) গুরুতর আহত হয়েছেন। লিন্টু খানকে প্রথমে চিতলমারী হাসপাতালে ভর্তির পর তার অবস্থা আশংকাজনক হওযায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  ভাংচুর ও লুটপাট করা করেছে আসামী পক্ষের ১০ টি বসত-বাড়ি। এদিকে মঙ্গলবার বাগেরহাট হাসপাতাল মর্গে শিশু খালিদের লাশের ময়না তদন্তের পর বিকালে জানাজা শেষে চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চিতলমারী সরকারী বঙ্গবন্ধু কলেজের অপাধ্যক্ষ চৌদ্দহাজারী গ্রামের কাওসার আলী তালুকদারের চৌদ্দহাজারী গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

গত ১৫ জুন বিকেলে বাড়ির পাশে ঈদগাহ মাঠে খেলাধুলা করে ফেরার পথে শিশু খালিদকে অপহরন ও লাশ উদ্ধারের পর চিতলমারীরর পরিস্থিতি উত্প্ত হয়ে ওঠে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করাসহ আসামী পক্ষের লোকজনের ১০ টি বসত-বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট ঘটনায় আওয়ামী লীগের দুপক্ষ মধ্যেই চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শিশু খালিদকে হত্যায় ঘটনায় শোক সম্পপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাগেরহাট-১ আসনের এমপি শেখ হেলাল উদ্দীনসহ আওয়ামী লীগের নের্তৃবৃন্দ।

চিতলমারী থানার পরিদর্শক (ওসি) অনুকুল সরকার জানান, রবিবার খালিদের পিতা কাওছার তালুকদার বাদি হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামী করে থানায় একটি অপহরণ মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার পুলিশ এজাহার নামীয় চৌদ্দহাজারী গ্রামের বাদশা তালুকদার, কামরুল শেখ এবং মেরি বেগম নামে ৩জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে। অন্য আসামীদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।