১২, ডিসেম্বর, ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৪ রবিউস সানি ১৪৪১

‘দিদি’র বাংলায় মোদীর চওড়া হাসি

আপডেট: May 24, 2019

‘দিদি’র বাংলায় মোদীর চওড়া হাসি

পশ্চিমবঙ্গ, যেখানে প্রায় গোটা দেশের বিপরীতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্ব; সেই রাজ্যে এবার ভাটা পড়তে বসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। অন্তত কয়েক টার্মের ইতিহাস পাল্টে ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যটিতে আধিপত্য বিস্তার করছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। টক্কর দিয়ে কেড়ে নিচ্ছে তুলনামূলক বেশির ভাগ আসন। পুরো চ্যালেঞ্জের মুখে মমতা।

এ পর্যন্ত ভোটের যে ফলাফল এসেছে, তাতে দেখা গেছে, বিগত বছরের তুলনায় ‘দিদি’র রাজ্যে এবার চওড়া হাসি হাসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুধু পশ্চিমবঙ্গেই তার বিজেপি এগিয়ে আছে ১৫টি আসনে। আর রাজ্যের ‘দিদি’ মমতার তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ২৫টি আসনে। কংগ্রেস শীর্ষে আছে দু’টি আসনে।

অথচ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেই বিজেপির ভরাডুবি ছিল পশ্চিমবঙ্গে। প্রায় সব আসনের রাজত্ব ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দখলে। রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে মাত্র দু’টি পেয়েছিলেন মোদী। এর মধ্যে ৩৪টি আসন পেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

রাজ্যটিতে যে বিজেপি তার পদ্মের সুবাস ভালো করে ছড়িয়েছে, তার প্রমাণ মাত্র পাঁচ বছরে বড় ধরনের এ পরিবর্তন। আর এই পরিবর্তন রাজ্যের আগামী বিধানসভা নির্বাচনেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ভারতীয় রাজনীতি বিশ্লেষকরা। এতে করে মুখ্যমন্ত্রীর জন্য সামনে আরও বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে, এমনটি বলা চলে।

ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণসহ প্রায় দুই মাসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। সকাল ৮টা থেকে চার হাজার কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয় এ গণনা। কিছু এলাকায় অবশ্য খানিকটা দেরিতেই ভোট গণনা শুরু হয়। গণনা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে ফলাফল।

সারাদেশের ৫৪২টি আসনের মধ্যে এ পর্যন্ত বিজেপির জোট এগিয়ে আছে ৩২৬টি আসনে। আর রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস এগিয়ে আছে ১০৪ আসনে।

গত ১১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১৯ মে পর্যন্ত সাত ধাপে অনুষ্ঠিত হয় দেশটির নির্বাচন। ২৯টি রাজ্য ও ৭টি কেন্দ্রীয় অঞ্চলে এ ভোটের আয়োজনে ভারতজুড়ে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ। ৫৪৩টি আসনে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও ভেলোর আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

-এডি/ এএ