বড় তারকাকে দলে না নেয়ায় এমন ‘ধস’ নাইট শিবিরে

খেলাধুলা বিনোদন

এ যেন ক্রিকেটের স্বর্গোদ্যানে বাঁ-হাতিদের রাজত্ব! এক বাঁ-হাতি ম্যাচ জেতানো অপরাজিত ৯৭ করে গেলেন। এক বাঁ-হাতি জয়ের মঞ্চ গড়ে দিলেন ৩১ বলে ৪৬ করে। এক বাঁ-হাতি পীযূষ চাওলাকে লং অনের উপর দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে উইনিং শটটা নিলেন।

আর এক বাঁ-হাতি ডাগআউটে বসে তৃপ্তি ভরে দেখলেন তার দল দিল্লি ক্যাপিটালস হারিয়ে দিয়ে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে।

কলিন ইনগ্রামের মারা শটটা গ্যালারিতে গিয়ে পড়তে হেলমেট খুলে দু’হাত ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন শিখর ধাওয়ন। তিন রানের জন্য সেঞ্চুরি না পাওয়ার দুঃখটা তিনি নিশ্চয়ই ভুলে যেতে পারবেন। ইনগ্রাম যদিও সেঞ্চুরি না হওয়ায় দুঃখপ্রকাশ করে গেলেন ধাওয়নের কাছে। বাঁ-হাতি ঋষভ পান্থ তখন ডাগআউট থেকে মাঠে নামার জন্য ছুটতে শুরু করেছেন।

কিন্তু চতুর্থ বাঁ-হাতি কী করছেন? টিভি ক্যামেরা জয়ের মুহূর্তে দিল্লির ডাগআউটের ছবিটা ধরল। দেখা গেল, রিকি পন্টিং জড়িয়ে ধরলেন তাকে। আর দিল্লির ‘দাদা’ মুঠো করে হাতটা একবার শুধু ঝাঁকালেন। চাপা চোয়ালে হাসি ফুটল না। কিন্তু তৃপ্তির ঝলকটা ঠিকই ধরা পড়ল।

শুক্রবারের (১২ মার্চ) এই বাঁ-হাতি রাজের দিনে কেকেআর তাদের বা-হাতি সেরা অফস্পিনারকে পেল না। টসের সময়ই চমক। দেখা গেল, সুনীল নারাইনকে ছাড়াই দল নামাচ্ছে নাইটরা। ছিলেন না ক্রিস লিনও।

নারাইন না থাকায় কেকেআরের বোলিং আক্রমণে কোনও ভেদশক্তিই দেখা যায়নি। বাঁ-হাতিদের উপরে সামান্য চাপ তৈরি করা যায়নি। ব্যাট করার সময় চোট পেয়েছিলেন আন্দ্রে রাসেল। বোলিংয়ে সেই ছন্দে পাওয়া যায়নি তাকে। আগের দিনই কুলদীপ যাদব বলেছিলেন, ইডেনের পিচে এখন স্পিনাররা সাহায্য পায় না। তিনি এবং পীযূষ— কাউকে দেখেই মনে হয়নি ম্যাচ জেতাতে পারেন! এই কেকেআর বোলিংকেই শাসন করে গেলেন ধাওয়ন। দিল্লি জিতল সাত উইকেটে।

প্রথমে ব্যাটিং করে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ১৭৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছে কেকেআর।জবাবে দারুণ খেলেছে দিল্লি।আর খেলবে না কেন!এই দিন কিং খানের দলের সেরা অস্ত্র নারিন যে ছিলেন না।সেটা হারে হারে টের পেয়েছে দীনেশ কার্তিকের দল।নারিন থাকলে হয়ত ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *