২১শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, মঙ্গলবার

গোপালগঞ্জের উন্নয়নে শেখ সেলিমের বিকল্প নেই

আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০১৯

| neela

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য, সাবেক সফল স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর-কাশিয়ানী আংশিক) থেকে বারবার নির্বাচিত এমপি শেখ ফজলুল করিম সেলিম। গোপালগঞ্জের উন্নয়নে তার কোন বিকল্প নেই।

শেখ ফজলুল করিম সেলিম ১৯৪৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম শেখ নুরুল হক। শেখ ফজলুল করিম সেলিম সেন্টজোসেফ্স হাইস্কুল, খুলনা থেকে ১৯৬৩ সালে এসএসসি, টেকনিক্যাল কলেজ, ঢাকা থেকে ১৯৬৫ সালে এইচএসসি পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৮ সাথে বিএসসি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭১ সাথে ডিপ্লোমা-ইন-টাটিসটিক্স ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি ১৯৮০, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ আওয়ামীলীগের মনোনয়নে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৭ম জাতীয় সংসদের মেয়াদকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সাপ্তাহিক চিত্রালীর সম্পাদক, স্বত্তাধিকারী ও প্রকাশক। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা ও সাময়িকীতে বিভিন্ন বিষয়ে তার লেখা প্রকাশিত হয়েছে।

সময় গোপালগঞ্জ ছিল খুব অবহেলিত আর উপেক্ষিত। যোগাযোগ ব্যবস্থার দিক দিয়ে ছিল পিছিয়ে। ৭৫ সালে জাতির জনককে হত্যার পর থমকে যায় গোপালগঞ্জের উন্নয়ন কার্যক্রম। যে কারণে এখানে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কোনো বড় শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নেতৃত্বে গোপালগঞ্জ সদরে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়েছে। আওয়ামীলীগ আবার ক্ষমতায় আসার পর এলাকায় রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ হচ্ছে। তার প্রচেষ্টায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক সংলগ্ন গোপালগঞ্জের হরিদাসপুরে ৫০ একর জমির ওপর সম্প্রসারিত বিসিক শিল্প নগরীর কাজ চলছে। সম্প্রসারিত বিসিক শিল্প এলাকায় ভারী কল-কারখানা গড়ে উঠলে এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে অনেকের। এ জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তাকে গোপালগঞ্জের আশার আলো বললে ভুল হবেনা।