১৯শে জানুয়ারি, ২০২০ ইং, রবিবার

বিয়ের পাঁচদিন পরই অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে তালাক

আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০১৯

| Palash Mondol

টাঙ্গাইল সদরের তারাবাড়ী গ্রামে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা এক কিশোরীকে বিয়ের পাঁচদিন পরই তালাক দিয়েছেন তার প্রেমিক।
প্রেমিক নাহিদুল ইসলাম ওই উপজেলার ব্রাহ্মণকুশিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, রসুলপুরের জামাই মেলায় ওই কিশোরীর সঙ্গে পরিচয় হয় নাহিদুলের। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেম ও শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এতে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে গণ্যমান্যদের হস্তক্ষেপে ৮ নভেম্বর দুই পরিবারের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে হয়। পাঁচদিন পর ওই কিশোরীকে তালাকের নোটিশ দেন নাহিদুল।

ভুক্তভোগী কিশোরী জানান, বিয়ের প্রলোভনে নাহিদ তাকে বারবার ধর্ষণ করেন। বর্তমানে তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ অবস্থায় নাহিদ স্বেচ্ছায় তাকে বিয়ে করেন। পরে পরিবারের চাপে তালাকের নোটিশ দেন।

কিশোরীর বাবা জানান, মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে তালাকের নোটিশ পেয়ে তিনি টাঙ্গাইল মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন।

নাহিদের আত্মীয় সিদ্দিক হোসেন জানান, বিয়ের সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন। কাউকে না জানিয়ে হঠাৎ করে তালাকের নোটিশ দেয়া ঠিক হয়নি। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নাহিদের মা নাসিমা আক্তার জানান, বিয়ের পর মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তালাকের নোটিশ দেয়া হয়েছে। তার ছেলের বয়স কম তাই ভুল করেছে।

টাঙ্গাইল মডেল থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন জানান, বিয়ের কারণে কিশোরীকে ধর্ষণের বিষয়টি বৈধ হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।